মহাকর্ষঃ মহাবিশ্বের যেকোন দুইটি বস্তুকণার মধ্যে যে আকর্ষন বল,সেটাই মহাকর্ষ। মহাকর্ষ একটি প্রাকৃতিক ঘটনা যা দ্বারা সকল বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ কর। যেমন আমাদের টেবিলে দুইটা বই থাকলে তাদের মাঝে যে আকর্ষন বল কাজ করে সেটা মহাকর্ষ।
মঙ্গলগ্রহ ও শুক্রগ্রহের মাঝে যে আকর্ষন সেটাই মহাকর্ষ,কারন মঙ্গল বা শুক্র দুইটাই মহাবিশ্বের অংশ। মনেকরুন,আপনার বাসা ঢাকা,আপনার গ্রামের বাসা খুলনা। এখন আপনি যে বাসায় থাকেন সেই বাসা এবং আপনার গ্রামে থাকা বাসার মাঝে যে আকর্ষন বল সেটাও মহাকর্ষ। কারন ঢাকা কিংবা খুলনা মহাবিশ্বের বাহিরের কোনো জিনিস না।
যদি দুটি বস্তুর ভর যথাক্রমে
সমানুপাতিক ধ্রুবক,
অভিকর্ষ/মাধ্যাকর্ষনঃ পৃথিবী এবং অন্য যেকোন বস্তুর মাঝে যে আকর্ষন সেটাই অভিকর্ষ। অর্থাৎ একটা বস্তু পৃথিবী আর একটা বস্তু যাইহোকনা কেন সেটাই অভিকর্ষ।
বই-পৃথিবী,মঙ্গল-পৃথিবী,চাঁদ-পৃথিবী,বাড়ি-পৃথিবী সব অভিকর্ষ বলের উদাহরন। এবার একবার ভাবুনতো অভিকর্ষের উদাহরন গুলাও কিন্তু এই মহাবিশ্বের আছে সুতারাং অভিকর্ষও একধরনের মহাকর্ষ পার্থক্য শুধু অভিকর্ষ বললে একটা বস্তু যে পৃথিবী সেটা বোঝা যায়।
অভিকর্ষজ ত্বরণঃ
সংজ্ঞাঃ পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের প্রভাবে যখন কোন বস্তু বিনা বাধায় পৃথিবীর দিকে পড়ে তখন বস্তুটির পতনের বেগ একটি নির্দিষ্ট হারে বেড়ে যায় অর্থাৎ একটি ত্বরণের সৃষ্টি করে। এই ত্বরণ কে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। একে ছোট হাতের g দ্বারা প্রকাশ কর হয়। g এর মান স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়। তবে g এর আদর্শমান 9.81m/s2।
অভিকর্ষজ ত্বরণঃ
সংজ্ঞাঃ পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের প্রভাবে যখন কোন বস্তু বিনা বাধায় পৃথিবীর দিকে পড়ে তখন বস্তুটির পতনের বেগ একটি নির্দিষ্ট হারে বেড়ে যায় অর্থাৎ একটি ত্বরণের সৃষ্টি করে। এই ত্বরণ কে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। একে ছোট হাতের g দ্বারা প্রকাশ কর হয়। g এর মান স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়। তবে g এর আদর্শমান 9.81m/s2।


0 Comments